হার্ট এটাক থেকে বাঁচুন ।

হার্ট অ্যাটাক যে কোন বয়েসে হতে পারে।তবে ৪০ বছরের পর ঝুকিটা বেশি থাকে। আসুন জেনে নেই হার্ট অ্যাটাকটা কথন হয়। হৃৎপিন্ডের সাথে থাকে দুটি ছোট ধমনী থাকেে। যা হৃৎপিন্ডে পুষ্টির যোগান দিয়ে থাকে।যদি কোন কারনে হার্টের রক্ত নালিতে চর্বির সৃষ্টি হয় তখন আর রক্তনালী কাজ করে না। তখনই হার্ট অ্যাটাকের সৃষ্টি হয়। হার্ট অ্যাটাক হলে বুকে প্রচন্ড ব্যাথা অনুভূত হয়। এই ব্যাথা কম পক্ষে ২০-৩০ মিনিট স্থায়ী হয়ে থাকে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই রোগী হাসপাতালে পৌছার আগেই মৃত্যুবরন করে।
হার্ট অ্যাটাক কথন হয় : –
– ঘুমের মধ্যে হতে পারে।
-বিশ্রামের সময় হতে পারে।
-হঠাৎ ভারী শ্রমের পর হতে পারে।
-বাইরে বেরুলেন, তখনও হতে পারে।
-ইমোশনাল স্ট্রেসের জন্য হতে পারে।
হার্ট অ্যাটাক এর কারন কি?
হৃদরোগের অনেক কারন আছে।
১. অতিরিক্ত তেলযুক্ত খাদ্য।
২. মানসিক চাপের মধ্যে থাকার কারণে।
৩. রক্তে এল ডি এল (খারাপ) কোলেস্ট্রলের মাত্রা বেড়ে যাওয়া এবং এইচ ডি এল (ভাল) কোলেস্ট্রলের মাত্রা কমে যাওয়া।
৪. খাদ্যে এন্টি অক্সিডেন্টের অভাব থাকলে।
৫. উচ্চ রক্তচাপ,ডায়াবেটিস থাকার করণে।
৬. শারীরিক পরিশ্রমের অভাব। ও ওজন বৃদ্ধির কারণে।
৭. তামাক জাতীয় খাওয়া।
হার্ট অ্যাটাক পরবর্তী করণীয়ঃ
হার্ট অ্যাটাক হওয়ার দিন (প্রথম ২৪ ঘণ্টা) : বিছানায় পূর্ণ বিশ্রাম নেবেন। এ সময় তরল খাবার (দুধ, হরলিকস, স্যুপ ইত্যাদি) খাবেন। এক বা দুবার ১৫-৩০ মিনিট বিছানার পাশে চেয়ারে বসবেন।তৃতীয় দিন থেকে স্বাভাবিক শক্ত খাবার শুরু করবেন।চতুর্থ দিন থেকে আস্তে আস্তে হাঁটার দূরত্ব বাড়াবেন।পঞ্চম দিন থেকে সিঁড়ি বেয়ে উপরে ওঠার চেষ্টা করবেন।মাঝে মধ্যে ইসিজি করবেন। এবং ডাক্তারের পরামর্শে চলবেন।

Previous
Next Post »