ডায়াবেটিস একটি যায়োনিস্ট রোগ ।

ডায়াবেটিস (Diabetes) একটি যায়োনিস্ট রোগ। এ রোগকে সমাজে কোন এক সুপরিকল্পিত উপায়ে ইনজেকট করা হয়েছে গত ত্রিশ বছরে। জীবনযাত্রা, খাদ্য এগুলোকে মেনিপুলেট করা হয়েছে। কি জন্য? একবারও কি ভেবে দেখেছেন ডাক্তারের চেম্বার থেকে বের হলেই ঔষধ কম্পানির কর্মিরা কেন ঝাপিয়ে পড়ে প্রেসক্রিপশন দেখতে?

এর মধ্যে রয়েছে মিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের ব্যবসা। আর ডায়াবেটিসের মূল ব্যবসা হলো ইনসুলিন। একজন ডায়াবেটিসের রোগীকে শেখানো হয় এটা ইনসুলিনের ঘাটতি জনিত রোগ। আপনাকে একসময় ইনসুলিন নিতে হবেই। একজন নতুন ডায়াবেটিস রোগীর অর্থ হলো তার জীবনের বাকী অংশটুকুর উপর ওষুধ কোম্পানির কর্তৃত্ব। এখন গরীবদেরও ডায়বেটিস হয়। স্থুলতা কমানোর জন্য মানুষের কি আপ্রাণ প্রচেষ্টা। না খেয়ে থাকা। তারপরও স্থুলতা কমে না। খাদ্যে কি এমন করা হয়েছে যে না খেয়ে থাকলেও স্থুলতা কমে না?


ডায়বেটিসের সাথে যোগ হয় উচ্চ রক্তচাপ, কোলেস্টেরল ও ট্রাইগ্লিসারাইডের সমস্যা, হার্টের সমস্যা এবং ক্যান্সার। এগুলো সব কয়টিকে একসাথে বলে নন কমিউনিকেবল ডিজিজ। নন কমিউনিকেবল ডিজিজ পিপড়ার মতো লাইন ধরে আসে।
একটার পেছন ঘেঁষে আরেকটা। সারা জীবনের সমস্ত আয় ইনকাম যায়োনিস্ট কোম্পানিকে দিয়ে তারপর কবরে যাও।

আবার, সারা বছরই ডাব পাওয়া যায়। আশেপাশের দোকানগুলোতেই ডাবের স্তুপ থাকে। অবহেলায় মানুষ পাশ কেটে চলে যায়। আর সারা বছর পাওয়া যায় কলা। যে জিনিসের প্রয়োজন মানুষের জন্য সবচেয়ে বেশী আল্লাহ্‌ সে জিনিসকে প্রকৃতিতে করেছেন সবচেয়ে সহজলভ্য।
ডাক্তার ডাব খেতে বলবে না, কলা খেতে বলবে না। ডাক্তার বলবে লবণ খাওয়া বন্ধ করতে । হাজার বৎসরের ইতিহাসে মানুষ লবণ খেয়ে প্রেশার বাড়লো না। গত ত্রিশ বছরেইমানুষ বুঝে গেল লবণ এতো বড় শত্রু?

আর লবণ যদি এতোই ক্ষতিকর হতো আল্লাহ্‌ লবণকে প্রকৃতিতে সহজলভ্য করতেন না। আসলে সবই ব্যবসা। শরীরে সোডিয়াম ও পটাশিয়ামের ভারসাম্যহীনতার কারণে ব্লাড প্রেশার বাড়ে। লবণের সোডিয়ামকে ব্যলেন্স করার জন্য প্রকৃতিতে আল্লাহ্‌ ডাব দিয়ে রেখেছেন, কলা দিয়েরেখেছেন। সেখানে আছে পটাসিয়াম। সেগুলো খান। নিয়মিত। যায়োনিস্টদের কথা আর কতো বিশ্বাস করে তাদের পিছে টাকা ঢালবে মানুষ?

Previous Post
Next Post
৫:২২ PM

wow what a post

Reply
avatar