গ্রিন টি পান করার সবচেয়ে উপযুক্ত সময় কখন? বিস্তারিত ....


সুস্থ থাকার জন্য হোক বা ওজন কমানোর জন্য, অনেকেই ইদানিং গ্রিন টি পানের অভ্যাস গড়ে তুলেছেন।  কিন্তু অন্যান্য খাবার ও পানীয়র মতোই গ্রিন টি পানেরও রয়েছে একটি সময়।  যে কোনো সময়ে গ্রিন টি পান করলে আপনি সর্বোচ্চ উপকারিতা পাবেন না।  ত্বকের যত্ন, ওজন কমানো এবং স্বাস্থ্যের সার্বিক উপকারে গ্রিন টি পান করুন বিশেষ কিছু সময়ে-


১) গ্রীষ্মে বেশি, শীতে কম

চীনের চিকিৎসাশাস্ত্র অনুযায়ী, গরমকালে গ্রিন টি বেশি পান করা উচিৎ, লাল চা কম পান করা উচিৎ। অন্যদিকে শীতকালে গ্রিন টি পান করা কমিয়ে লাল চা বেশি পান করতে হবে।


২) সকালে নয়

অনেকেই সকালে ঘুম থেকে উঠে এক কাপ চা পান করেন শরীর ও মন তরতাজা করার উদ্দেশ্যে। কিন্তু সকাল সকাল গ্রিন টি পান করবেন না। কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, খালি পেটে গ্রিন টি কোনো উপকার করে না। বরং তা আপনার লিভারের ক্ষতি করতে পারে।


৩) খাওয়ার দুই ঘণ্টা আগে এবং পরে

দুপুর বা রাতের খাবারের দুই ঘণ্টা আগে বা দুই ঘণ্টা পরে এক কাপ গ্রিন টি পান করতে পারেন। কিন্তু খাবারের সাথেই গ্রিন টি পান করবেন না।  কারণ গ্রিন টি খাবার থেকে আয়রন শোষণে শরীরকে বাধা দেয়।  গ্রিন টিয়ের এই প্রভাব ঠেকাতে এতে লেবুর রস যোগ করতে পারেন।


৪) ঘুমানোর অন্তত দুই ঘণ্টা আগে

অনেকেই দাবি করেন, ঘুমানোর আগে গ্রিন টি পান করলে ঘুম ভালো হয়। কিন্তু গ্রিন টিতে ক্যাফেইন আছে। এ কারণে তা ঘুম নষ্ট করতেই বরং পারদর্শী। এছাড়া, গ্রিন টি পান করলে আপনার বারবার টয়লেটেও ছুটতে হতে পারে। এ কারণেও ঘুম নষ্ট হয়। ভালো ঘুমের জন্য বিছানায় যাবার অন্তত দুই ঘণ্টা আগে সব ধরণের চা-কফি পান বন্ধ করে দিন।


৫) দিনে ৩ কাপের বেশি নয়

উপকারী পানীয় বলেই বেশি বেশি করে পান করবেন না, দিনে ২-৩ কাপ গ্রিন টি পান করুন।  ইউনিভার্সিটি অব মেরিল্যান্ডের মেডিকেল সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী, এর বেশি গ্রিন টি পানে স্বাস্থ্যের ক্ষতি হতে পারে।



শুধু তাই নয়, যাদের ক্যাফেইন পানে সমস্যা বা নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, পেটে সমস্যা আছে বা গর্ভবতী, তাদের গ্রিন টি পানে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিৎ।
Previous
Next Post »