এই ২১টি গুণের অধিকারী হয়ে থাকলে আপনি হবেন একজন চমৎকার মা! বিস্তারিত জানুন.....



কিন্তু কোন গুণগুলো একজন নারীকে বানায় চমৎকার মা? তুলে ধরা হচ্ছে উল্লেখযোগ্য ২১টি গুণের কথা। মিলিয়ে দেখতে পারেন আপনার মাঝেও আছে কিনা এই দারুণ সব গুণাবলী। এর বিপরীত হলে তা শিশুদের জন্যে কোনক্রমেই ভালো নয়!


১। আপনি পর্যাপ্ত শিক্ষিত একজন মানুষ। শিক্ষিত মানে প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রি কেবল নয়, আপনি জীবনের সকল সুন্দর গুণাবলিতে শিক্ষিত। জীবন প্রতিটি অধ্যায় থেকে আপনি শিক্ষা গ্রহণ করে থাকেন।

২। আপনি একজন সচেতন নাগরিক।

৩। আপনি একজন রুচিশীল মানুষ। কদর্যতা আপনি ঘৃণা করেন।

৪। আপনি শিশুদেরকে ভালোবাসেন। শিশুদের জন্য যে কোন কিছু করতে পারবেন।

৫। নিজের বিবেকের সামনে পরিষ্কার থাকতে আপনি ভালোবাসেন। অন্যায় পথকে আপনি ঘৃণা করেন।

৬। আপনি মনে করেন বাচ্চারা ভবিষ্যতের ইন্সুরেন্স নয়। বৃদ্ধ বয়সে সন্তান আপনাকে দেখবে বলেই কেবল আপনি সন্তান মানুষ করতে চান না।

৭। আপনি ধৈর্যশীল। অত্যন্ত ধৈর্যশীল।

৮। শিশুদের প্রহার করা আপনি পছন্দ করেন না। শাসন করার জন্যে অন্য পদ্ধতিই ভালো মনে করেন।

৯। আপনি আত্মনির্ভর মানুষ। নিজের সব কাজ নিজেই করতে অভ্যস্ত।

১০। আপনি কখনোই বাজে ভাষা ব্যবহার করে কথা বলেন না, গালাগাল করেন না। চিৎকার করাও আপনার অপছন্দের।

১১। আপনি শিশুদের খাদ্য, পুষ্টি, স্বাস্থ্য ইত্যাদি ব্যাপারে আগ্রহী এবং ভালো জ্ঞান রাখেন।

১২। ব্যক্তিগত জীবনে আপনি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও গোছানো একজন মানুষ।

১৩। আপনি মিথ্যা একাবারেই বলেন না। কিংবা চেষ্টা করেন যতটা কম বলা যায়।

১৪। আপনি মনে করেন না যে শিশুদের জন্য লেখাপড়ায় ভালো হওয়াটাই আসল, সেটাই তাদের একমাত্র কাজ।

১৫। নিজের ব্যক্তিগত অশান্তি আপনি কখনোই অন্য কারো ওপরে ঝাড়তে যান না।

১৬। শিশুদেরকে আপনার বোঝা মনে হয় না। আপনি কর্মঠ মানুষ এবং শিশু পালনকেও কর্তব্য হিসেবেই বিবেচনা করেন।

১৭। একটি শিশু পালন করার জন্য জানতে হয় অনেক কিছুই। আপনি শিশু পালনের এইসব খুঁটিনাটি বিষয়ে জানতে আগ্রহী। এসবে আপনার বিরক্তি নেই।

১৮। সমাজে ভদ্র মানুষ হিসেবে আপনার সুনাম আছে। ভদ্রতা বোধের জন্য আপনি প্রশংসিত।

১৯। আপনি মানসিকভাবে সুস্থ। কোন রকমের মানসিক অসুস্থতা আপনার নেই।

২০। আপনি পড়তে, লিখতে, বাগান করতে, ছবি আঁকতে বা এই ধরণের ক্রিয়েটিভ কাজ করতে ভালোবাসেন।

২১। আপনি কোনভাবেই টি ভি বা সোশ্যাল মিডিয়া আসক্ত নন।



একজন মা কেবল মা-ই নন, তিনি শিশুর পুরো দুনিয়া। তাই সেই দুনিয়াকেই হতে হবে সুন্দর ও পরিশীলিত। কেবল তখনই শিশুরা বেড়ে উঠবে সঠিকভাবে।
Previous
Next Post »